=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম

পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম – স্বাস্থ্যই আমাদের অমূল্য সম্পদ। কিন্তু আমাদের ছোট ছোট অবহেলা আমাদের স্বাস্থ্যর বড় বড় রোগ সৃষ্টি করে। বর্তমান সমাজে আমাদের আশে পাশে অনেকেই রয়েছে যাঁদের পায়খানা জনিত নানা সমস্যা রয়েছে। যার অন্যতম বড় কারন হল অস্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়মিত শরীর চর্চা থেকে দূরে থাকা।

আমরা খাবার গ্রহনের পর তার অবশিষ্ঠ অংশ পায়খানার মাধ্যমে দেহ হতে বের করে থাকে। যার ফলে পায়খানার নানা রকম সমস্যা যেমন, র*ক্ত পায়খানা, পায়খানা ক্লিয়ার হয়না, মলদ্বার ব্যাথা সহ কোষ্ঠ্যকাঠিন্য সমস্যা গুলো পরবর্তীতে দেহের বিভিন্ন রোগ বাঁধতে সাহায্য করে।

আধুনিক এ যুগে পায়খানা ক্লিয়ার করার নানা ট্যাবলেট রয়েছে। যা সেবনে পায়খানা সকল সমস্যা সমাধান সহ পায়খানা ক্লিয়ার হবে। আমরা আজকের এই লেখায় পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম এবং পায়খানা ক্লিয়ার করার খাবার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাহলে আসুন জেনে নিই পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম গুলো কি কিঃ

(toc) #title=(সুচিপত্র)

পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম

পায়খানা ক্লিয়ার কেন হয় না

আমরা সারাদিন নানা রকম খাবার গ্রহণ করে থাকি। কেউ কম খেয়ে থাকি আবার কেউ বেশি খেয়ে থাকি আমাদের শরীরে সেসকল খাবারের কিছু অংশ কাজে লাগে এবং কিছু অংশ কাজে লাগে না। সেক্ষেত্রে সেই বর্জ্যগুলো আমরা আমাদের পায়ুপথ দিয়ে মলদ্বারের সাহায্যে শরীর থেকে বের করে থাকে। মল আমাদের পেটে তৈরি হয়।

সাধারনত প্রতিটি মানুষ দিনে অন্তত ১ বার পায়খানা করে থাকে। পায়খানার যদি আকার, আকৃতি ও রং যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে চিন্তার কোন কারন নেই কিন্তু যদি পায়খানা নিয়মিত না হয় তাহলেই সমস্যা। পায়খানা ক্লিয়ার না হবার অন্যতম কারন হল ফাইবার বিহীন খাবার গ্রহন করা।

যেমন, ময়দার তৈরী খাবার। দ্বিতীয় কারন হল খাবারের সাথে মাংস জাতীয় খাবার বেশি খেলে সালাদ ছাড়া। এছাড়া পুষ্টিকর খাবার ছাড়া তেলজাতীয় খাবার গ্রহনে অতিরিক্ত গ্যাসের কারনে পায়খানা ক্লিয়ার হয় না। পায়খানা ক্লিয়ার হয় না কি কারণে জানার পর এবার আমরা জানব পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম সম্পর্কে।

আরো পড়ুনঃ পাতলা পায়খানার ট্যাবলেট এর নাম

পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম – পায়খানা ক্লিয়ারের ঔষুধ সমূহ

১। Avolac Syrup – এভোল্যাক ১০০ মিলি সিরাপ – এই সিরাপটি ল্যাকটোলোস দিয়ে তৈরী করা হয়েছে। যা মল ত্যাগ করতে সাহায্য করে। এটি সম্পূর্ণ সুগার ফ্রি সিরাপ। তাই ডায়বেটিস রুগীরাও তাদের পায়খানা ক্লিয়ার না হলে সেবন করতে পারে। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ভরা পেটে ১/২ চা চামচ ও বড়দের ক্ষেত্রে ২ চামচ দিনে ২ বার সেবন করতে হবে। কিন্তু এই সিরাপ সেবনের কালে প্রচুর পরিমান তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে। নাহলে পেটের সমস্যা সমাধান হবে না। সিরাপটির সবনিম্ন মূল্য ১৩০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ মূল্য ১৫০ টাকা।

এভোল্যাক ১০০ মিলি সিরাপ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: পেট ফাঁপা অনুভূত হতে পারে, অতিরিক্ত সেবনে ডায়রিয়া হতে পারে। প্রথম কিছুদিন সমস্যা হলেও আস্তে আস্তে শরীরের সাথে মানিয়ে যাবে।

২। পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম ডুরালাক্স ট্যাবলেট – Duralax ট্যাবলেট – এই ওষুধটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং দ্রুত পায়খানা ক্লিয়ার করে থাকে। যার ১টির মূল্য ১৫ টাকা করে। খাবার খাওয়ার পরপরই এই ওষুধটি সেবন করতে হবে। তবে গর্ভবতী মহিলাদের এই ওষুধ খাওয়া প্রযোজ্য নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের ডোজ গ্রহণ করতে হবে।

Duralax ট্যাবলেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: বমি অনুভূত হতে পারে, প্রথমবার সেবনে মাথা ঘুরতে পারে, ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে, অতিরিক্ত সেবনে ডায়রিয়া হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। বেশি সময় ধরে এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো অব্যাহত থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

৩। পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম ইজিফিল ট্যাবলেট – Easyfeel Tablet – এই পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট টি অব্যশই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা প্রয়োজন। এর বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। এর প্রতিটি ডোজের দাম ৪৫-৫০ টাকা।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ওষুধ খাওয়ার পর ঘুম ঘুম লাগতে পারে, মাথা ঘুরতে পারে, অনেক সময় রক্তচাপ কমে যায়। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এই ওষুধটি সেবন করা কখনোই উচিত নয়। গর্ভবতী মহিলারা সেবন থেকে বিরত থাকুন।

৪। পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম ল্যাক্সাভিন ট্যাবলেট – Levofloxacin – এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং পায়খানা ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে। এই ট্যাবল্যাটের প্রতিটির মূল্য ২০টাকা। তবে ওষুধটি ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া: মাথা ঘোরা, বমি ভাব, পেটে ব্যথা। ডায়রিয়া। এসব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে এবং তা যদি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৫। পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম Glysup ট্যাবলেট – এই ওষুধটি পায়ুপথে দেওয়া হয় এবং দেওয়ার ১৫ থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যেই পায়খানা ক্লিয়ার হয়ে যায়। যার প্রতিটির মূল্য ১০ টাকা করে। যাদের প্রচুর পরিমাণে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা এটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই সাপোজিটরটি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করতে হবে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: পায়ুপথে জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে। গর্ভবতী মহিলাদের এই ওষুধ গ্রহণ না করাই ভালো। যে কেউ গ্রহণের পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।

৬। পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম লুবিগুট 8 ট্যাবলেট – Lubigut 8 -পায়খানা ক্লিয়ারের ক্ষেত্রে এই ঔষুধটি বেশ কারযকারী। যার প্রতিটি মূল্য ১৪ টাকা।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া: 

  • ওষুধ খাওয়ার পর ঘুম ঘুম লাগতে পারে
  • মাথা ঘুরতে পারে
  • অনেক সময় রক্তচাপ কমে যায়

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এই ওষুধটি সেবন করা কখনোই উচিত নয়। গর্ভবতী মহিলারা সেবন থেকে বিরত থাকুন।

আরো পড়ুনঃ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ঘরোয়া উপায়

পায়খানা ক্লিয়ার হওয়ার হোমিও ঔষধ

যাদের দীর্ঘদিন এলোপ্যাথিক ওষুধ সেবন করেও পায়খানা ক্লিয়ার হচ্ছে না তারা হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খেয়ে দেখতে পারেন। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সাধারণত সকল প্রকার ভেষজ উদ্ভিদ দিয়ে তৈরি করা হয় এতে কোন প্রকার কেমিক্যাল পদার্থ ব্যবহার করা হয় না। তাই হোমিওপ্যাথিক ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও অনেক কম। 

তবুও হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেবেন এবং পরামর্শ অনুযায়ী ডোজ কমপ্লিট করবেন। হোমিওপ্যাথিক কিছু কার্যকরী ওষুধের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো যা আপনার পায়খানা ক্লিয়ার করতে সাহায্য করবে:

১) ত্রিফলা

২) অ্যালোমিনা

৩) ব্রায়োনিয়া

৪) আর্সেনিক এল্বাম

৫) আর্জেন্টাম নাট্রিকাম

পায়খানার সমস্যার জন্য এ সকল ওষুধ সাধারণত ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং এই ওষুধগুলো পায়খানা ক্লিয়ার করতে বেশ কার্যকরী।

পায়খানা ক্লিয়ার করতে ট্যাবলেট এর পাশাপাশি যে কাজগুলো করবেন

  • প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করুন
  • অস্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ থেকে বিরত থাকুন
  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন
  • যথাযথ বিশ্রাম নিন
  • টয়লেট ব্যবহার করার সময় সচেতনতা অবলম্বন করুন

পায়খানা ক্লিয়ার করার খাবার

পায়খানা ক্লিয়ার করার জন্য ওষুধের পাশাপাশি কিছু খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে করে দ্রুতই আপনার সমস্যার সমাধান হবে। কিছু খাবারের নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো।

১) ইসুবগুলের ভুষি: ইসুবগুলের ভুষি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি আমাদের শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্য ভাব দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন এক গ্লাস করে হলেও ইসুবগুলের ভুষির শরবত বানিয়ে খান। আপনি নিজেই ফলাফল দেখতে পাবেন।

২) আঁশযুক্ত খাবার: প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত শাকসবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়াও বিভিন্ন মৌসুমী ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। ফলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। যা পায়খানা ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে।

৩) অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং পায়খানা নরম করতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরার রস দিয়ে শরবত বানিয়ে খেতে পারেন। চেষ্টা করবেন প্রতিদিন সকালে খালি পেটে গ্রহণ করার।

৪) ভেষজ চা: প্রতিদিন ভেষজ চা পান করতে পারেন। আদা, লেবু, লং ইত্যাদি মিশিয়ে ভেষজ চা পান করতে পারেন যা আপনার পায়খানা ক্লিয়ার করতে সাহায্য করবে।

আরো পড়ুনঃ পায়খানা ক্লিয়ার করার উপায়

পায়খানা ক্লিয়ার রাখতে যে সকল খাবার খাবেন না

১) তেল চর্বি জাতীয় খাবার: তেল চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। এ সকল খাবার পাকস্থলী জনিত বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে। ফলে পায়খানার ক্লিয়ার হয় না।

২) লাল মাংস: লাল মাংস হজমের সমস্যা তৈরি করে। অতিরিক্ত পরিমাণে লাল মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

৩) সফট ড্রিঙ্ক: সফট ড্রিঙ্ক এ রয়েছে প্রচুর পরিমানে চিনি যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কোকাকোলা, স্প্রাইট, পেপসির মতো সফট ড্রিংক গুলি এড়িয়ে চলাই ভালো।

৪) চকলেট: চকলেট এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট যা আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনা বাড়ায়। তাই পায়খানা ক্লিয়ার না হলে চকলেট গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।

৫) মসলা জাতীয় খাবার: আমরা বাঙালিরা প্রচুর পরিমাণে মসলা জাতীয় খাবার খেয়ে থাকি যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি আমাদের পাকস্থলীর বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে হলে আমাদের পায়খানা ক্লিয়ার হয় না।

৬) ভাজাপোড়া: বাইরের অস্বাস্থ্যকর ভাজাপোড়া খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমে যায়। এ সকল খাবার আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তৈরি করে। তাই এই ধরনের খাবার খাওয়া থেকে নিজেকে সংযত রাখা উচিত।

আরো পড়ুনঃ কৃমির ঔষধ কোনটা ভালো

পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম সম্পর্কে সর্বশেষ

আশা করি পায়খানা ক্লিয়ার করার ট্যাবলেট এর নাম এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছেন। খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি একটি সুন্দর জীবন যাপনের রুটিন তৈরি করুন। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন এবং পায়খানা ক্লিয়ার না হলে যেকোনো ওষুধ গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Check Also

বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসায় ডক্সিক্যাপ ১০০ এর ব্যবহার ও কার্যকারিতা

Doxicap 100 হলো ডক্সিসাইক্লিনের একটি বাণিজ্যিক নাম, যা Tetracycline শ্রেণীর একটি শক্তিশালী ব্রড-স্পেকট্রাম এন্টিবায়োটিক মেডিসিন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *